Showing posts with label ফটোগ্রাফি টিউনড. Show all posts
Showing posts with label ফটোগ্রাফি টিউনড. Show all posts

ডিজিটাল ক্যামেরা ক্রয় করতে হলে অত্যাবশ্যকীয় যেসব বিষয়গুলো আপনার জানা প্রয়োজন। ক্যামেরা পর্ব -০২

ক্যামেরা হাতে পেলে আমরা সবাই ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। তার মধ্য অনেকেই আগ্রহী হয়ে ওঠেন আধুনিক ফটোগ্রাফিতে।মূলত মোবাইল ক্যামেরার ছোট জগতে আবদ্ধ না থেকে আরও বড় দুনিয়াতে প্রবেশ করতে প্রবল হয়ে উঠি।
ডিজিটাল ক্যামেরা ক্রয়ের সময় আমরা সাধারনত যে কাজটি করে থাকি তাহলো বাজারে গিয়ে কিছু দোকানে ঘুরে কিছু মডেল দেখি। তারপর যে মডেলের মেগাপিক্সেল সবচেয়ে বেশী, সেটা কিছু না বুঝেই তথারুপ চোখ বুজে ক্রয় করে ফেলি। কেনার পর প্রথম কিছুদিন কোন সমস্যা হয়না। কিন্তু ৫-৬ মাস থেকে বছরের মাথায় যখন ফটোগ্রাফিতে মোটামোটি দক্ষ হয়ে উঠি তখন বুঝতে শিখি ক্যামেরাতে কি কি বিষয় সমূহ অনুপস্থিত রয়েছে। তখন মনে হয়, কেনার সময় একটু একটু খোঁজ খবর করলেই বোধ হয় ভাল হত। শুধুমাত্র বেশী মেগাপিক্সেল থাকলেই একটা ক্যামেরা ভাল কাজের হয় না, আরও কিছু ‍জিনিস হিসাবে থাকতে হয়। এবার আমরা নিম্নরুপভোবে সেই বিষয় গুলোর জানার চেষ্টা করব।

১। মেগাপিক্সেল


আমাদের সবার একটা সাধারণ ধারণা রয়েছে, একটি ডিজিটাল ক্যামেরার মেগাপিক্সেল যত বেশি হবে, ছবির মানও তত ভালো হবে। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। মেগাপিক্সেল কেবল ছবির আকার নির্ধারণ করে। ‘পিকচার এলিমেন্ট’ শব্দদ্বয় থেকেই ‘মেগাপিক্সেল’-এর উৎপত্তি (pixel)। প্রতিটি ডিজিটাল ক্যামেরার প্রায় ৮০ লাখ পিক্সেল থাকে। একটি ৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে ৪ গুণ ৬ ইঞ্চি আকারের একটি ছবি তোলা যাবে। ৮ মেগাপিক্সেল দিয়ে তোলা যাবে ১১ গুণ ১৭ ইঞ্চি আকারের ছবি। ১০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরায় ফুটে উঠবে ১৩ গুণ ১৯ ইঞ্চি আকারের ছবি। মূলত বেশী মেগা পিক্সেলের ক্যামেরা বেশী দামি। আবার বেশী পিক্সেলের ছবি আকারে বড় হয়। এর ফলে মেমোরি বেশী খরচ হবার ফলে বেশী ছবি তোলা কষ্টকর হয়ে পড়ে। বেশী পিক্সেলের ছবি আসলে প্রয়োজন হয় বড় আকারের ছবি প্রিন্ট করার জন্য। যেমন দেশে প্রিন্ট মিডিয়া বেশী মেগা পিক্সেলের ক্যামেরা ব্যবহার করে থাকে। আমার মত সাধারন ব্যবহারকারীদের জন্য ৪-৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরাই যথেষ্ট কারন খুব কম ক্ষেত্রেই আমাদের ৪”X৩” অথবা ৬”X৪” –র বেশী আকারের ছবি প্রিন্ট করতে হয়।

২। সেনসর

ক্যামেরার ভেতরের একটি ছোট্ট চিপ বিদ্যমান। এই চিপ ছবি রেকর্ডে সহায়তা করে। একে বলা হয় ইমেজ সেনসর। এই ইমেজ সেনসরের ওপরই আপনার তোলা ছবির মান নির্ভর করছে। এই সেনসর ২৫ এমএম২ থেকে ২০০০ এমএম২ মানের হয়ে থাকে। বড় মানের ইমেজ সেনসর সাধারণত এসএলআর ক্যামেরায় থাকে। ইমেজ সেনসরের আকার যত বড় হবে, ছবির মান তত ভালো হবে। ডিজিটাল ক্যামেরার দুনিয়ায় সাধারণত দুই ধরনের ইমেজ সেনসর দেখা যায়। একটি সিসিডি ও আপরটি সিএমওএস। সিএমওএস সেনসর সাধারণত কম ব্যাটারি খরচ করায়। এর গতিও সিসিডির চেয়ে অনেক বেশি।

৩। জুম


ক্যামেরাগুলোর সাধারণ দুই ধরনের জুম থাকে। একটি অপটিক্যাল ও অপরটি ডিজিটাল। এই দুই ধরনের জুমের মধ্যে অপটিক্যাল জুম বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ লেনসের ফোকাল লেংথ পরিবর্তন করে সাবজেক্টকে অনেক কাছে নিয়ে আসে। এতে ছবির মান অটুট থাকে। ডিজিটাল জুম সাধারণত সফটওয়্যার-নিয়ন্ত্রিত। তবে আমাদের দেশে এখনো ডিজিটাল জুমসংবলিত ক্যামেরা সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরেই রয়েছে। অপটিক্যাল জুম ব্যবহার করলে একটি ছবির কোয়ালিটি র কোন রকম ক্ষতি হবার সুযোগ থাকেনা। কারন পুরো ব্যাপারটায় দুরের ছবিকে বড় করে কাছে আনা হচ্ছে তাই রেখে বাকি অংশ গুলো কেটে বাদ দিয়ে দেয়। তারপর কাটা অংশ টুকু পূনরায় স্ট্যান্ডার্ড সাইজে আনা হয়। যতবেশী ডিজিটাল জুম করা হবে ছবির মান তত বেশী খারাপ হতে থাকবে। তাই ডিজিটাল ক্যামেরা কেনার সময় তাতে জুম আছে কিনা তা জানলেই হবে না, সেটা কি ধরনের জুম তাও জানতে হবে। আবার বেশী ক্ষমতার জুম শুধু হাতে ব্যবহার করা কঠিন। যত বেশী জুম ব্যবহার করা যাবে, ছবি ততবেশী কেঁপে যাবার আশংকা থাকবে।হাতের সামান্য নড়াচড়া অথবা শ্বাস নেবার সময় ও ছবির কম্পোজিশন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৪। আইএসও

আইএসও আলোর ব্যাপারে সেনসরের স্পর্শকাতরতা (sensitivity) নির্দেশ করে। উচ্চমাত্রার আইএসও তৈরি করে উচ্চমাত্রার স্পর্শকাতরতা। উচ্চমাত্রার আইএসও দিয়ে আপনি স্ফটিকস্বচ্ছ ছবি তুলতে পারবেন। কিছু ডিজিটাল ক্যামেরা এই আইএসও স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ করে নেয়। অনেক ক্যামেরায় ইচ্ছামাফিক আইএসও নির্ণয়ের অপশন থাকে।

৫। ইমেজ সেন্সর

এটি অপটিক্যাল ইমেজকে ডিজিটাল সিগনাল এ কনভার্ট করে। সেন্সরের উপর ছবি তুলার মান নির্ভর করে। এটি দুই ধরনের হয়- CCD (Charge Couple Device) এবং CMOS (Complementary Metal Oxide Semiconductor)। CMOS সেন্সর অনেক ফাস্ট এবং কম ব্যাটারী চার্জ খরচ করে।

৬। শাটার

শাটার আলো আটকে রাখার কাজ করে। লেন্স ও সেন্সরের মাঝে থাকে শাটার, যা শাটার রিলিজ বাটনের প্রেস করার সাথে সাথে খুলে আলো সেন্সরে পাঠায় এবং সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যায়। শাটার খোলা ও বন্ধের মাঝের সময়টুকুই হলো শাটার স্পীড, অর্থাৎ শাটার কতক্ষন খোলা থাকবে সেটিই হলো শাটার স্পীড। শাটার স্পীড কম হলে ছবি ঘোলা আসে অনেক সময়। যেমন চলন্ত গাড়ির ছবি কম শাটার স্পীডের ক্যামেরা দিয়ে তুললে ঘোলা আসবে। আর যাদের ছবি তোলার সময় হাত কাঁপে তাদের জন্য বেশী শাটার স্পীডের ক্যামেরা কেনাই শ্রেয়। শাটার স্পীডকে 1/90, 1/125, 1/250, 1/500, 1/1000, 1/1500 সেকেন্ড হিসেবে প্রকাশ করা হয়।

৭। লেন্স

লাইটকে ফোকাসের কাজে লেন্স ব্যবহৃত হয়। ছবি তোলার সময় লেন্সের মাধ্যমে সেন্সরে ছবি আসে। কয়েকটি কোম্পানী আছে যারা নিজেরাই লেন্স প্রস্তুত করে, যেমন- Nikkon, Canon। আবার কিছু আছে যারা অন্য কোম্পানীর লেন্স ইউস করে, যেমন- Sony, Panasonic ইত্যাদি।

৮। ফেস ডিটেকশান

ফেস ডিটেকশান টেকনোলজীর মাধ্যমে ছবি তোলার সময় ক্যামেরা ফেস ডিটেক্ট করতে সক্ষম। যার ফলে আপনি ফোকাস ও রেড আই ডিটেকশন সহ আরো অনেক ধরনের ইফেক্ট দিতে পারবেন।

৯। ডিসপ্লে

ক্যামেরা ও ছবি ম্যানেজমেন্ট ও ছবি দেখার জন্য ডিসপ্লে থাকে ক্যামেরাতে। সাধারনত এটি আড়াই থেকে তিন ইঞ্চি সাইজের হয়ে থাকে। এলসিডি ডিসপ্লে যত বড় হয় ছবি কম্পোজ করার জন্য তত ভাল। ডিজিটাল ক্যামেরার সবচেয়ে বড় মজা হল ছবি তোলবার পর পরই ছবি দেখতে পাওয়া। ফলে ছবি খারাপ হয়েছে মনে হলে আবার ছবি তোলা সম্ভব।

১০। রেড আই রিডাকশন

ছবি তোলার সময় অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় চোখের রেটিনাটি লাল রংয়ের হয়ে গেছে। সাধারণত কাছে থেকে ছবি তোলার সময় এই সমস্যাটি হয়ে থাকে। যদিও বর্তমানে গ্রাফিক্স সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই লাল রংটি সরিয়ে ফেলা যায় তবুও আজ প্রায় অনেক ক্যামেরাতেই অটো রেড আই রিডাকশন প্রযুক্তি থাকছে।

১১। স্যুইপ প্যানোরামা

ধরুন আপনার বাম পাশে আপনার এক বন্ধু দাঁড়িয়ে আছে আর ডান পাশে এক বন্ধু। এখন আপনি তাদের দুই জনের ছবি একসাথে তোলার জন্য ব্যবহার করতে পারেন ডিজিটাল ক্যামেরার এই নতুন প্রযুক্তি স্যুইপ প্যানোরামা। বিস্তৃত পরিসরে ছবি তোলার জন্য ব্যবহার হয় স্যুইপ প্যানোরামা। যার মাধ্যমে আপনি বাটন প্রেস করে ক্যামেরা হরিজন্টাল ভাবে ঘোড়ানোর মাধ্যমে আপনি আপনার ছবিতে তুলে আনতে পারবেন সাধারন ছবির তুলনায় অনেকবেশী অংশ একসাথে।

১২। মেমরী

ক্যামেরার ইন্টারনাল মেমরী ও এক্সটার্নাল কত পর্যন্ত লাগানো যাবে এবং কোন কোন মেমোরী কার্ড সাপোর্ট করবে, বাজারে তা সহজলভ্য কিনা ও দাম কেমন এসব জিনিস জেনে নিবেন।

১৩। ইউএসবি ক্যাবল

ইউএসবি ক্যাবল সকল ক্যামেরাতে থাকে যা দিয়ে আপনি কম্পিউটারে ছবি নিতে পারবেন মেমরি কার্ড বের করা ছাড়াই।

১৪। ব্যাটারী ও চার্জার

ব্যাটারী চার্জেবল কিনা এবং বাজারে সহজ লভ্য কিনা এসব জিনিস দেখে নিবেন। ব্যাটারী খুলে চার্জ দেয়ার সিস্টেম থাকে যাতে এবং ব্যাটারী যাতে লিথিয়াম আয়ন হয় সেটিও দেখে নিবেন কারন তাতে আপনি একটা এক্সট্রা ব্যাটারী কিনে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে পরে ইউসের জন্য রেখে দিতে পারবেন।
Continue Reading →

ডিজিটাল ক্যামেরা কি? প্রকারভেদসহ কি ধরনের এবং কত মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ব্যবহার করবেন! ক্যামেরা ক্রয় ইচ্ছুক

ডিজিটাল ক্যামেরা কি?
ডিজিটাল ক্যামেরা বলতে এমন ক্যামেরা বোঝায়, যেগুলোতে সনাতনী ফিল্ম ব্যবহৃত হয় না, বরং তার বদলে মেমরী চিপের মধ্যে ছবি ধারণ করে রাখার ব্যবস্থা থাকে। ডিজিটাল ক্যামেরার মান হিসাব করা হয় মেগা পিক্সেল দিয়ে যত বেশি মেগা পিক্সেল তত বেশি বড় ছবি ধারণ করার ক্ষমতা। প্রথমে দাম বেশি থাকলেও ফিল্ম ক্যামেরা থেকে অনেক দ্রুত দাম কমছে, এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে ফিল্ম লাগেনা এবং সাথে সাথে স্ক্রিনে ছবি দেখা যায় বলে এর চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়ছে। নিকট ভবিষ্যতে এটি ফিল্ম ক্যামেরাকে জাদুঘরের পণ্যে পরিণত করতে পারে।
মূলত ডিজিটাল ক্যামেরায় কোনো ফিল্ম ব্যবহার করা হয় না।এই জন্যে ডিজিটাল ক্যামেরাকে ফিল্মলেস ক্যামেরাও বলা হয়। ডিজিটাল ক্যামেরায় এক ধরনের অপটিক্যাল সেন্সর ব্যবহার করা হয়। অপটিক্যাল সেন্সর অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আলোক সংবেদনশীল ডায়োড (ফটোসাইট) দিয়ে তৈরি। এই অপটিক্যাল সেন্সরের কাজ হল আমরা যেই বস্তুটির তুলব সেই বস্তু থেকে আসা আলোকে ইলেক্ট্রনিক চার্জে  রূপান্তরিত করা।

ডিজিটাল ক্যামেরার মেগাপিক্সেল সম্পর্কে ধারনা

এবার আলোচনা শুরু হবে ক্যামেরার মেগাপিক্সেল নিয়ে। প্রথমে আপনাকে একটি প্রশ্ন করি ও অনুমান করি আপনার একটি ক্যামেরা আছে যেটি ১৫ মেগাপিক্সেল এর আর আপনার বন্ধুর একটি ক্যামেরা আছে ৮ মেগাপিক্সেল এর। এখন কার ক্যামেরাতে ছবি ভালো আসবে? আপনার নাকি আপনার বন্ধুটির ক্যামেরায়।
উত্তর সাধারন ভাবে সবাই বলবে যে আপনার ক্যামেরাতে ছবি ভালো আসবে। আসলে কি তাই?

ডিজিটাল ক্যামেরার আসল রহস্য কি?

মেগাপিক্সেল এর মূলে রয়েছে পিক্সেল। পিক্সেল হচ্ছে ছোট এক বিন্দু তথ্য যা কিনা থাকে ডিজিটাল ছবি। এই রকম মিলিয়ন পিক্সেল মিলে তৈরি করে একটি ছবি। মেগা মানে হচ্ছে মিলিয়ন। যার অর্থ দারাচ্ছে ১০ মেগাপিক্সেলের একটা ছবি তে থাকে ১০ মিলিয়ন পিক্সেল। আর ১৪ মেগাপিক্সেল ছবিতে থাকে ১৪ মিলিয়ন পিক্সেল। মনে করুন, একটি ছবি আছে আয়তকার আকৃতির। এবং ছবিটি যদি লান্ডস্কেপ হয়, তাহলে, ১০ মেগাপিক্সেল এর ছবিটির সাইজ হবেঃ দৈর্ঘ্যঃ ২৫৯২ পিক্সেল এবং প্রস্থঃ ৩৮৮৮ পিক্সেল। ১৪ মেগাপিক্সেল এর ছবিটির সাইজ হবেঃ দৈর্ঘ্যঃ ৩১০৪ পিক্সেল এবং প্রস্থঃ ৪৬৭২ পিক্সেল। এখন আপনি দৈর্ঘ্য আর প্রস্থ গুন করলেই পেয়ে যাবেন ছবিটি কত পিক্সেলের।২৫৯৮*৩৮৮৮=১০,০৭৭,৬৯৬ পিক্সেল = ১০ মেগাপিক্সেল ৩১০৪*৪৬৭২=১৪,৫০১,৮৮৮ পিক্সেল = ১৪.৫ মেগাপিক্সেল তো, এখন আপনার কি মনে হয়, যে পিক্সেল বেশি হলেই ছবি ভাল আসে?
হ্যা, আপনি যদি ছবি বড় করতে চান তাহলে বেশি পিক্সেল এর ক্যামেরা হলে ভালো। এখন দেখি, আপনি কতটা বড় ছবি তুলতে চান?
মেগাপিক্সেল প্রিন্ট সাইজ (ইঞ্চি)
2.0 = 4 x 6 [standard]
3.0 =  5 x 7
4.0 =  8 x 10
5.0 =  8 x 12
6.0 =  9 x 12
8.0 =  11 x 14
10.0 = 12 x 16
12.0 = 16 x 20
14.0 = 18 x 24
এখন আপনি যদি 4 x 6 ইঞ্চি আকারে ছবি প্রিন্ট করতে চান তাহলে ২ মেগাপিক্সেল আর ১৪ মেগাপিক্সেল একি এ পিকাচার কুয়ালিটি দেবে। পিক্সেল বেশি হলেও ও ছবির কুয়ালিটি সমান থাকবে।
এখন আপনি যদি 4 x 6 ইঞ্চি আকারে ছবি প্রিন্ট করতে চান তাহলে ২ মেগাপিক্সেল আর ১৪ মেগাপিক্সেল একি এ পিকাচার কুয়ালিটি দেবে। পিক্সেল বেশি হলেও ও ছবির কুয়ালিটি সমান থাকেবে। এইখানে কিছু কথা রয়ে যায় আর সেটা হচ্ছে এই পিক্সেল কি ডি এস এল আর ক্যামেরার নাকি পয়েন্ট এন্ড শুট ক্যামেরার? ডি এস এল আর এবং পয়েন্ট এন্ড শুট ক্যামেরার পিক্সেল একসাথে তুলনা করা যাবে না। এর প্রধান কারন হচ্ছে যে, পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরার সেন্সর ডি এস এল আরের সেন্সর থেকে অনেক ছোট থাকে(এইটা প্রায় ২৫ গুন)। যার কারনে পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরার পিক্সেল আকারে ছোট থাকে। অপরদিকে ডি এস এল আরের সেন্সর আকারে বড় হওয়ার দরুন অনেক বেশি ফোটন গ্রহন করতে পারে। পয়েন্ট এন্ড শুট ক্যামেরার ছোট পিক্সেল এর কারনে এইটা অনেক কম আই এস ও () তে ছবি তুলে যার কারনে ছবি তে নইএস বেশি থাকে। এই ছোট সেন্সর এর জন্য পয়েন্ট অ্যান্ড শুট এর ইমেজ কুয়ালিটি ডি এস এল আরের চেয়ে খারাপ হয়ে যাই।

কোন ধরনের ক্যামেরা আপনার বিশেষ প্রয়োজন? এবং ক্যামেরার প্রকারভেদ

আজকের বাজারে বিভিন্ন ডিজিটাল ক্যামেরায় ভরপুর, প্রথমেই সবার, জিজ্ঞাসা কোন ক্যামেরা কিনবো? যে প্রশ্নের উত্তর সাধারণত, কত টাকা আপনি ব্যয় করতে চান এবং কি ধরনের ফটোগ্রাফি করতে চান? যেমন, ন্যাচার, ওয়েডিং, পোর্টেট, ফ্যামিলি ফটগ্রাফী ইত্যাদি।
সাধারনত বাজারে ৩ ধরনের ক্যামেরা পাওয়া যায়
  •  বেসিক পয়েন্ট অ্যান্ড শুট
  • কম্পেক্ট
  •  ডি এস এল আর।

পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরা

এই ৩ ধরেনের ক্যামেরার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরা। এই ক্যামেরা আমরা অনেকেই ব্যবহার করি এবং এইটা ব্যবহার করতে আপনাকে খুব বেশি কিছু জানতে হবে না। ক্যামেরা হাতে নিন, অন করুন, সাবজেক্ট কে ফুকাস করুন এবং ক্লিক করুন। ব্যাস, আপনার ছবি ওঠে গেলো।

সুবিধা

  •   অল্প দামেই পাচ্ছেন খুব সহজ ভাবে।
  • বেশ হাল্কা এবং খুব সহজেই বহন করা যায়।
  • অটুমেটিক ফিচার গুল খুব সহজেই আপনার ছবি তুলতে সাহায্য করে।

অসুবিধা

  • ইচ্ছে করলেই ক্যামেরার লেন্স পরিবর্তন করতে পারবেন না।
    অনেক সময় ক্যামেরার অপারেশন স্লো অপারেশন এর জন্য ছবি কিছুটা ব্লার আসতে পারে।
  • ভিউ ফাইন্ডার না থাকার জন্য দিনের বেলায় ছবি তুলতে অসুবিধা হতে পারে। কারন অতি উজ্জ্বল আলোয় LCD Display তে অনেক সময় ছবির ওরিজিনাল কালার বুঝা যায় না।
  • LCD Display যখন কোন ছবি শো করে তখন তার সাথে কিছু এডিশনাল কালার এড করে ছবির উজ্জলতা বাড়ানোর জন্য, যাতে করে ওরিজিনাল ছবির কালার বুঝতে সমস্যা হয়।
  • সর্বোপরি, পয়েন্ট এন্ড শুট কামেরা আপনার প্রতিদিনের ছবি তুলার জন্য ভালো। কিন্তু আপনি যদি প্রোফেসনাল ছবি তুলতে চান কিংবা আপনার হবি যদি হয় প্রোফেসনাল ছবি তুলা তাহলে এই কামেয়া আপনার জন্য না।

কম্পেক্ট ক্যামেরা

কম্পেক্ট ক্যামেরা অনেকটা পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরার মতই। কম্পেক্ট ক্যামেরা পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরা থেকে কিছুটা আকারে বড় হয় এবং এই গুলোর যুম ও এক্সপোজার পয়েন্ট এন্ড শুট ক্যামেরা থেকে বেশি।

সুবিধা

  • ডি এস এল আর ক্যামেরার নিচের সারির দাম ক্যামেরার দাম থেকে অল্প দামেই পাওয়া যায়।
  • ক্যামেরা লেন্স গুলো মোটামুটি যুম সম্পন্ন, যার কারনে আপনি কাছ থেকে দূর পর্যন্ত ছবি তুলতে পারবেন।
  • অনেক ক্যামেরাতেই ভিউ ফাইন্ডার থাকে, যার কারনে উজ্জ্বল আলোতে ও ছবি তুলার সময় দেখতে পারবেন।
  • অনেক ফিচার ম্যানুয়ালী কন্ট্রোল করা যায়। যা কিনা আপনাকে অনেকটা ডি এস এল আর এর স্বাদ দিবে।
  • অনেক গুলোতে আবার এডিশনাল লেন্স এড করার অপশন আছে।

অসুবিধা

  • অনেকটাই পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরার মতই।
  • এই ক্যামেরাতে ভিও ফাইন্ডার থাকলেও সেইটা মূলত একটা ছোট LCD Display, ওরিজিনাল ভিও ফাইন্ডার না।

ডি এস এল আর ক্যামেরা

ডি এস এল আর এবং উপরের বর্ণিত দুটি ক্যামেরার মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে যে এই ক্যামেরাতে আপনি আপনার ছবি তুলার প্রয়োজন মত লেন্স পরিবর্তন করতে পারবেন, অনেক বেশি ফাস্টার। এবং আপনি সেই ইমেজটিই দেখতে পাবেন যেইটা কিনা আপনার ক্যামেরা দেখছে। কারন ক্যামেরার ভিও ফাইন্ডার আপনাকে একি লেন্সের রিফ্লেকশন দেখাই।

সুবিধা

  •  ডি এস এল আর ক্যামেরার সুবিধা বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না।
  • ক্যামেরা লেন্স আপনার প্রয়োজন মত পরিবর্তন করতে পারবেন। যখন যেই ধরনের ছবি তুলতে চান সেই ধরনের লেন্স ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন, ম্যাক্রো ছবি তুলতে ম্যাক্রো লেন্স, দুরের ছবি তুলতে টেলিফটো ইত্যাদি।
  • ক্যামেরা অনেক বেশি ফাস্টার ছবি তুলে। ছবি তুলার মাঝে কোন প্রিপারেশন টাইম নেই না। আপনি রেডি তো ক্যামেরা ও রেডি।
  • আপনার প্রয়োজনে এক্সটারনাল ফ্ল্যাশ ব্যবহার করতে পারবেন। যেইটা কিনা আপনার ক্যামেরার ফ্ল্যাশ থেকে উজ্জ্বল আলো দেবে আপনার প্রয়োজন মতে।
  • ম্যানুয়ালী এক্সপোজার এর জন্য আপনি আপনার ছবি কেমন হবে তা ঠিক করতে পারবেন। যেমন, শারটার স্পীড কত হবে, আই এসও কত, আপেরচার কত ইত্যাদি।

অসুবিধা

  • এই ক্যামেরা দাম উপরের দুটি থেকে অনেক বেশি।
  • ভালো ছবি তুলতে হলে আপনাকে ফটোগ্রাফী সম্পর্কে ভালো ভাবে জানতে হবে।
  • ক্যামেরা ও তার আনুসাঙ্গিক সবকিছু বহন করতে আলাদা ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে।
Continue Reading →

আসুন জেনে নিই ক্যামেরার লেন্স কি? সাথে থাকছে ক্যামেরার লেন্স কেনার গাইড লাইন

এসএলআর ক্যামেরা যারা ব্যবহার করে থাকেন তাদের অনেকেই কোন লেন্সটি কিনবেন সেই সমস্যায় ভুগে থাকেন। আর তাই প্রিয় টেকের পাঠকদের মধ্যে যারা এসএলআর কেনার কথা ভাবছেন তাদেরকে সাহায্য করার জন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। তাহলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো জেনে নিই-

প্রথম পদক্ষেপ

এসএলআর ক্যামেরার ক্রয়ের ক্ষেত্রে আপনার প্রথম পদক্ষেপ হবে আপনি যে ক্যামেরাটি কিনতে চলেছেন তার সমর্থক লেন্সের আধিক্য এবং বাজারে প্রাপ্যতা। আপনি নিশ্চয় ক্যামেরার বডি কেনার সাথে সাথে একাধিক লেন্স কিনবেন না। আর তাই ক্যামেরা কেনার সময় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি আপনাকে পরবর্তীতে ওয়াইড অ্যাঙ্গেল থেকে শুরু করে টেলিফটো ছবি তোলার সুবিধা সম্বলিত লেন্সের সুবিধা দিতে সক্ষম হবে।
বিনিমেয় লেন্স সম্বলিত ক্যামেরাগুলোর সমস্যা হচ্ছে সত্যিকার অর্থে এই ক্যামেরা কেনার কথা চিন্তা করার সাথে সাথে নিজেকে একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের সাথে বেধে ফেলছেন। যেমন ধরুন, নিকন ব্যবহার করছে এফ এবং সিএক্স সংযোগ, ক্যানন ইএফ এবং ইএফ-এস, সনি এ এবং ই - নির্ভর করছে প্রতিষ্ঠানের কোন ক্যামেরা বডি আপনি পছন্দ করছেন তার উপরে। বিনিমেয় ক্যামেরা হওয়া স্বত্বেও আপনি কিন্তু ক্যাননের লেন্স নিকন বা সনিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।
বিনিমেয় লেন্স ক্যামেরার ক্ষেত্রে এই সূত্রটি অত্যন্ত সাধারণ একটি বৈশিষ্ট্য হওয়া স্বত্বেও নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য এই সূত্রটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

সাধারণ বৈশিষ্ট্যের বাইরে

ডিজিটাল এসএলআর এবং মিররবিহীন ক্যামেরাগুলো সাধারণত কিট হিসেবে বিক্রয় হয়। কিট অর্থ আপনি ক্যামেরার বডির সাথে পাবেন ১৮-৫৫ মি.মি. (৩৫ মি.মি. হিসেবে ২৭-৮২.৫ মি.মি.) একটি লেন্স। সাধারণ একজন ব্যবহারকারীর কাছে বিষয়টি আকর্ষণীয় বলে মনে হলেও ডিজিটাল অর্থে আপনি আসলে পাচ্ছেন মাত্র ৩x জুম। যেখানে ক্যাননের $৩৪৯ মূল্যের কম্প্যাক্ট ক্যামেরা পাওয়ারশট এসএক্স ২৬০ এইচএস এই পাচ্ছেন ২০x জুম (২৫-৫০০মি.মি.)। অচিরেই বুঝতে পারবেন কম্প্যাক্ট ক্যামেরার লেন্সের দূরত্বের সাথে আপনি যদি পাল্লা দিতে চান তাহলে বিনিমেয় লেন্সের পেছনে আপনাকে অনেক খরচ করতে হবে। কিন্তু পাবেন অদ্ভুত সুন্দর সব ছবি।

সংখ্যার খেলা

এবার শুরু হবে সংখ্যা খেলা, আর এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ক্যালকুলেটরের! বাজারে আপনি যে সকল লেন্স পাবেন সেগুলোর ফোকাল লেন্থ হয়তোবা লেখা রয়েছে ১৮-৫৫ মি.মি., ৫০ মি.মি., ১৮-১০৫ মি.মি ইত্যাদি। কিন্তু ৩৫ মি.মি. ফিল্মের সাথে তুলনা করলে এই হিসেবটাতে একটু গণ্ডগোলের সৃষ্টি হয়। চিত্রগ্রাহকেরা একে ডিজিটাল ফ্যাক্টর হিসেবে অভিহিত করছেন। সাধারণভাবে ডিজিটাল এসএলআর ব্যবহার করে এপিএস-সি সেন্সর যা ৩৫ মি.মি. ফিল্ম ক্যামেরার সেন্সরের চাইতে ১.৫x অথবা ১.৬x ছোট হয়ে থাকে। অর্থাৎ আপনি যে কিট লেন্সটি পাচ্ছেন তা ১৮-৫৫ মি.মি. লেখা থাকলেও ৩৫ মি.মি. হিসেবে হয়ে যাচ্ছে ২৭-৮২.৫ মি.মি. (১৮-৫৫x১.৫)। তবে এই হারটি আবার নির্ভর করে তৈরি কারক এবং মডেলের উপর। যেমন, অলিম্পাস এবং প্যানাসনিক এর মাইক্রো ফোর থার্ড ক্যামেরাগুলোর ক্ষেত্রে এই বিভাজনটি হবে ২x হিসেবে, নিকোনের ১এস এ ২.৭x, পেনট্যাক্স কিউ ৫.৫x। তবে ফুল ফ্রেম ছবি তুলতে সক্ষম এমন ক্যামেরাগুলোর ক্ষেত্রে অবশ্য এই হিসাবটা আপনাকে করতে হবে না। ফুল ফ্রেম ক্যামেরা হিসেবে পাবেন নিকনের ডি ৮০০ অথবা ক্যাননের ফাইভ ডি বা ওয়ান ডি সিরিজটি। কিন্তু এই ধরণের ক্যামেরা কিনতে হলে আপনাকে খরচ করতে হবে ২ হাজার মার্কিন ডলারের অধিক।

জুম এবং প্রাইম লেন্স

বাজারে সর্বাধিক প্রাপ্ত লেন্সগুলোই হচ্ছে জুম লেন্স। মাত্র একটি লেন্স ব্যবহার করেই আপনি পাচ্ছেন বিভিন্ন দূরত্বের ছবি তোলার ক্ষমতা। এ ক্ষেত্রে বাজারে আপনি সাধারণ মানের ৩x ছাড়াও পাবেন ৭x এবং ১২x জুম লেন্স। এক্ষেত্রে যে সংখ্যাগুলি আপনাকে সাহায্য করবে সেগুলো হচ্ছে, ১৮-১২৫ মি.মি. অথবা ১৮-২০০ মি.মি., ৫৫-২১০ মি.মি. ইত্যাদি। বুঝতেই পারছেন, এর ফলে মাত্র একটি লেন্স ব্যবহার করেই আপনি কাছের এবং দূরের ছবি অনায়াসে তুলতে পারবেন।
আগেই বলেছি এ ক্ষেত্রে আপনার পছন্দ করার মত লেন্সের সংখ্যা প্রচুর। আপনি যেই ক্যামেরাটি পছন্দ করেছেন সেই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে আপনি লেন্সের ধরণ এবং দাম সম্পর্কে আরো বিশদ জানতে পারবেন। তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ট্যামরন, সিগমার মত বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা স্বল্পমূল্যে বিভিন্ন ক্যামেরার জন্য ভালো লেন্স তৈরি করে থাকে।
প্রাইম লেন্স বা ফিক্সড ফোকাল লেন্থ গ্লাসগুলো সাধারণত দক্ষ স্থির চিত্রগ্রাহকদের পছন্দ। যেমন ধরুন ৫০ মি.মি. প্রাইম লেন্সটি পোর্ট্রেট ছবি তোলার ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়া মিররলেস ক্যামেরার ক্ষেত্রে ২৮ মি.মি. লেন্সটি একই ধরণের ছবি তোলার ক্ষেত্রে ভালো দক্ষতা প্রকাশ করেছে। তবে, এর সবকিছুই নির্ভর করবে আপনার পছন্দের উপর। আপনি ব্যবহার করতে পারেন ৮ মি.মি. ফিশআই, ১৪ মি.মি. ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, ৬০ মি.মি. ম্যাক্রো অথবা ৫০০ মি.মি. টেলিফটো। পছন্দ আপনার!

ওয়াইড লেন্স

পছন্দের ক্যামেরাটি আপনি কিনে ফেলেছেন, এখন লেন্সের জন্য বাজারে ঢু মারার উদ্যোগ নিয়েছেন। দেখলেন একই নির্মাতার একটি ৫০ মি.মি. লেন্সের মূল্য $১২০ আবার আরেকটির মূল্য $১৬০০। এই দু'টি লেন্সের মধ্যেকার প্রধান পার্থক্য হচ্ছে অ্যাপারচার বা লেন্সটি কত ওয়াইড ওপেন হবে তার উপর। একে মাপা হয় f/stops এর মাধ্যমে, সংখ্যাটি যত নিচের দিকে হবে আপনি আলো তত বেশি ধরতে পারবেন। যেমন ধরুন এফ/১.৮ লেন্সের মূল্য ১২০ ডলার হলেও এফ/১.২ এর মূল্য হবে অনেক বেশি। এফ/১.২ শ্রেণীর লেন্সগুলোতে উন্নত মাণের গ্লাস ব্যবহৃত হওয়ায় এবং তৈরির মাণ ভালো হবার কারণে দামটাও অধিক। আপনি যদি স্বল্প আলোতে, ফ্ল্যাশ বিহীন ছবি তুলতে আগ্রহী হন তাহলে আপনার উচিত হবে এ ধরণের লেন্সের পেছনে খরচ করা। অ্যাপারচার যত কম হবে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে তত অস্বচ্ছ ইফেক্ট পাবেন। ৫০ মি.মি. লেইকা লেন্স এ রয়েছে সবচেয়ে কম এফ/স্টপ, এফ/০.৯৫ এই লেন্সটির মূল্য ১১ হাজার মার্কিন ডলার।

ইমেজ স্ট্যাবিলাইজার

অনেক বিনিমেয় লেন্স ক্যামেরার বডিতে ইমেজ স্ট্যাবিলাইজার থাকলেও ক্যানন এবং নিকন এর ক্যামেরাগুলোতে এই সুবিধাটি দেয়া থাকেনা। তবে এদের লেন্সগুলোর অনেক সংস্করণে ইমেজ স্ট্যাবিলাইজার দেয়া হয়ে থাকে। ক্যানন এ ক্ষেত্রে লেন্সের উপর আইএস (IS) আর নিকন ভিআর (VR) চিহ্নের মাধ্যমে ইমেজ স্ট্যাবিলাইজার এর বৈশিষ্ট্যটি নির্দেশ করে থাকে। আপনি যদি টেলিফটো ছবি তুলতে আগ্রহী হন তাহলে এই বৈশিষ্ট্য হবে আপনার জন্য অবশ্য বিবেচ্য।
ডিজিটাল এসএলআর ক্রয়ের মাধ্যমে আপনি বিনিমেয় লেন্সের এক অদ্ভুত জগতে প্রবেশ করেছেন। এখানে আপনাকে জানতে হবে অনেক কিছু, শিখতে হবে অনেক কিছু। এখানে দেয়া কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ছাড়াও আপনাকে জানতে হবে লেন্সে ব্যবহার করা কাচের মাণ এবং এদের তৈরি করার পদ্ধতি সম্পর্কে। আপনি হয়তো ভাবছেন এ কোন দুনিয়ায় পা দিলাম। কিন্তু ঘাবড়ানোর কোন প্রয়োজন নেই। কম্প্যাক্ট ক্যামেরা বাদ দিয়ে ডিজিটাল এসএলআরের জগতে প্রবেশ করার মাধ্যমে প্রথম পদক্ষেপটিতো আপনি গ্রহণ করেই ফেলেছেন এখন শুধু অভিজ্ঞতাটাই বাকি! (তথ্য সূত্র: ডিজিটাল ট্রেন্ডস)
Continue Reading →

কতকগুলো ইমোটিকোন যা দেখলে আপনি ১০০% খুশি হবেন

আর আপনার মনও ভালো হয়ে যাবে যদি আপনি নিচের ইমোটিকন গুলো দেখেন। তো চলুন, দেরি না করে দেখে নেওয়া যাক ইমোগুলো।
নিচের ইমোগুলো দেখুন আর হাসুন প্রান খুলে
funny-face-emoticons-sit-down-picture

Happy

emoticon

Special

emoticon

Loving
emoticon

Mix

emoticon

Cool

emoticon

Sweat

emoticon

Classic

emoticon

Morning Tea

funny emoticons

All In One

funny emoticons

Happy

funny emoticons

Cool

funny emoticons

Alone

funny emoticons

Nicefunny emoticons

Best

funny emoticons

Specialfunny emoticon

Innocent

funny emoticons

Laughing

funny emoticons
Laughing and pointing emoticon

Coolfunny emoticon

Surprised

funny emoticon

Nicefunny emoticon

Continue Reading →

Find us on Facebook

Categories